মাগুরার ৮ বছরের শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় চার আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে আলোচিত এই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কাজ শুরু হোল। আগামী ২৭ এপ্রিল মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। ওইদিন মামলার প্রথম তিনজন
মাগুরায় সেই শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়েছেন আদালত। আগামী ২৩ এপ্রিল বুধবার এই মামলার অভিজগপত্র গঠনের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। রবিবার সকালে মাগুরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসানের আদালত অভিযোগপত্রটি আমলে
মাগুরায় বিকেএসপির বাছাই অনুষ্ঠিত হবে ২০ এপ্রিল। ঐদিন মাগুরা জেলা স্টেডিয়ামে সকাল ৯ টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত এ বাছাই অনুষ্ঠিত হবে। মোট ২১ টি ক্রীড়া বিভাগের জন্য সারা দেশের প্রতিটি জেলায় এ বাছাই অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ৮ থেকে ১৩ বছর
মাগুরার সেই ৮ বছর বয়সী শিশু ধর্ষণের মামলায় এক মাস পার হলেও এখন পর্যন্ত আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়নি। তবে পুলিশ বলছে, দ্রুত অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে। ডিএনএ পরীক্ষা করে ঘটনার সঙ্গে প্রধান আসামি শিশুটির বোনের শ্বশুরের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিলেছে।
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার নাকোল এলাকায় ঈদের আগের দিন রাতে(৩০ মার্চ) জেলা যুবদলের সদস্য মিরান হোসেন মল্লিক (৪৩) প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা নিউরো সাইন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শনিবার রাতে মারা যান। ছয় দিন মৃত্যুর সাথে লড়াই করার
মাগুরা চৌরঙ্গী মোড়ে আজ(শনিবার) দুপুরে শ্রীপুর উপজেলার সব্দালপুর ইউনিয়নের বিএনপি ও অঙ্গ সঙগঠনের নেতা কর্মীদের ব্যানারে মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সন্ত্রাসি চাদাবাজ অস্ত্রধারী ভূমিদস্যু ও ছাত্র জনতার আন্দোলনে সরাসরি বাঁধা দানকারী শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রফিক জুলা ও ঢাকা মহানগর
মাগুরা জেলার শ্রীপুরে সম্প্রতি কিছু ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে ডাকাতির আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাত ১০টার পর একাধিক ফেসবুক আইডি থেকে প্রচারিত পোস্টে দাবি করা হয় যে, শ্রীপুর অঞ্চলে ডাকাতির সম্ভাবনা আছে। এলাকাবাসীকে সাবধান থাকতে বলা হয় এসব পোষ্টে । এই পোস্টগুলো
মাগুরার সেই শিশুটিকে একাই ধর্ষণ করেছেন তার বোনের শ্বশুর হিটু শেখ। ৬ মার্চ সকালে তাঁর ছোট ছেলের (শিশুটির বোনের স্বামী) কক্ষে শিশুটিকে একা পেয়ে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা করেন তিনি। ধর্ষণের মামলায় দোষ স্বীকার করে আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ কথা
মাগুরায় আলোচিত শিশু ধর্ষণ মামলায় দোষ স্বীকার করেছেন মূল অভিযুক্ত হিটু শেখ। শনিবার বিকেলে মাগুরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সব্যসাচী রায় ১৬৪ ধারায় তাঁর জবানবন্দী রেকর্ড করেন। পুলিশ ও আদালত সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। সূত্রে জানা গেছে, সাত দিনের
মাগুরায় অচেতন অবস্থায় উদ্ধারের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া শিশুটির মরদেহ সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে মাগুরায় পৌঁছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে মরদেহ বহন করা হেলিকপ্টারটি মাগুরা স্টেডিয়ামে অবতরণ করে। শিশুটির মরদেহের সঙ্গে হেলিকপ্টারে শিশুটির মা এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা